ইয়াবা ভাগাভাগি নিয়ে ঝগড়া, এরপর কারাগারে
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর শহরের একটি বিপণিবিতানের কক্ষে বসে ইয়াবা ভাগ করছিলেন দুই যুবক। এ সময় তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তাঁরা মারামারিতে জড়ালে স্থানীয় ব্যক্তিরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে তাঁদের কাছে ২১২টি ইয়াবা পায়।
ঘটনাটি আজ বেলা একটার দিকে পৌর শহরের আজাদ ভবনের তৃতীয় তলায় ঘটে। পরে ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। পুলিশ তাঁদের এই মালায় গ্রেপ্তার দেখায়।
গ্রেপ্তার দুই যুবক হলেন চকরিয়া পৌরসভার ভাঙারমুখ এলাকার তৌহিদুল ইসলাম (২৮) ও পৌরসভার বিনামারা মো. মিজবাহ (৩০)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিজবাহ এর আগেও মাদক মালায় জেল খেটেছেন। আর তৌহিদের বিরুদ্ধে অন্তত পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে। কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর শহরের একটি বিপণিবিতানের কক্ষে বসে ইয়াবা ভাগ করছিলেন দুই যুবক। এ সময় তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তাঁরা মারামারিতে জড়ালে স্থানীয় ব্যক্তিরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে তাঁদের কাছে ২১২টি ইয়াবা পায়। ঘটনাটি আজ বেলা একটার দিকে পৌর শহরের আজাদ ভবনের তৃতীয় তলায় ঘটে। পরে ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। পুলিশ তাঁদের এই মালায় গ্রেপ্তার দেখায়।গ্রেপ্তার দুই যুবক হলেন চকরিয়া পৌরসভার ভাঙারমুখ এলাকার তৌহিদুল ইসলাম (২৮) ও পৌরসভার বিনামারা মো. মিজবাহ (৩০)। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিজবাহ এর আগেও মাদক মালায় জেল খেটেছেন। আর তৌহিদের বিরুদ্ধে অন্তত পাঁচটি মাদক মামলা রয়েছে।করিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অপু বড়ুয়া বলেন, চকরিয়া পৌর শহরের সোসাইটি এলাকার আজাদ ভবনের ওপরে ইয়াবা নিয়ে মারামারি হচ্ছে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ২১২টি ইয়াবাসহ তৌহিদুল ও মিজবাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআই বলেন, আজ বিকেলে তৌহিদুল ও মিজবাহকে আদালতের কারাগারে পাঠিয়েছেন।সরেজমিনে দেখা যায়, বিপণিবিতানটির যে কক্ষে এই দুই যুবক মারামারি করছিলেন, সেটি একটি আবাসিক হোটেলের অংশ। চারতলাবিশিষ্ট ওই বিপণিবিতানের তৃতীয় তলায় ৮ থেকে ১০টি কক্ষ নিয়ে ছোট আবাসিক হোটেলটি ভাড়ায় পরিচালিত হচ্ছে। এই বিপণিবিতানের নিচতলায় গ্রেপ্তার মিজবাহর মালিকানাধীন একটি লাইব্রেরি রয়েছে। মেজবাহ দীর্ঘদিন ধরে হোটেলের ওই কক্ষটিতে ভাড়ায় বসবাস করে আসছিলেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Thanks for our website visit